যৌথ নামজারির তফসিল বন্টন ক্যালকুলেটর

খতিয়ানের ১৬ আনা বা ১.০০০ অংশের মধ্যে জমির সঠিক হিস্যা বন্টন করুন

জমির পরিমাণ ইনপুট দিন

সকলের মোট জমি

ব্যবহারবিধি:

নামজারির আবেদনে একাধিক গ্রহীতা থাকলে, প্রত্যেকের জমির পরিমাণ ইনপুট বক্সে লিখুন। উপরের সুইচ ব্যবহার করে আবেদনে যেভাবে তফসিল বসাবো অথবা খতিয়ানে যেভাবে আসবে সিলেক্ট করুন। ক্যালকুলেটর অটোমেটিক মোট জমি যোগ করবে এবং সঠিক বন্টননামা তৈরি হবে।

জমির হিস্যা বা খতিয়ানের মালিকের অংশ বের করার নিয়ম

ভূমি বা জমি জমার ক্ষেত্রে খতিয়ান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। একটি খতিয়ানে জমির মোট পরিমাণ এবং ওই খতিয়ানে থাকা একাধিক মালিকের কার কতটুকু অংশ বা হিস্যা রয়েছে, তা উল্লেখ থাকে। আগেকার দিনে হিস্যা লেখা হতো আনা-গণ্ডা-কড়া-ক্রান্তি এককে। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল জরিপ বা আধুনিক নিয়মে খতিয়ানের মোট অংশকে ১৬ আনার পরিবর্তে ১.০০০ (এক হাজার পয়েন্ট) হিসেবে ধরা হয়।

যৌথ নামজারিতে হিস্যা বা বন্টন তফসিল কেন প্রয়োজন?

যখন একাধিক ব্যক্তি মিলে জমি ক্রয় করেন বা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি একত্রে নামজারি (Mutation) করতে চান, তখন তাকে যৌথ নামজারি বলা হয়। নামজারি আবেদনে 'বন্টন তফসিল' একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এখানে উল্লেখ করতে হয় যে, মোট অর্জিত জমির মধ্যে কে কতটুকু জমির মালিক এবং সেই অনুপাতে খতিয়ানে তার অংশ (Share) কত হবে।

হিস্যা বের করার সূত্র

খতিয়ানে কারো অংশ বের করার গাণিতিক সূত্রটি হলো:

নির্ণেয় অংশ = (মালিকের জমির পরিমাণ ÷ মোট জমির পরিমাণ) × ১.০০০

উদাহরণস্বরূপ: মনে করি, একটি খতিয়ানে মোট জমি ৫০ শতাংশ। এর মধ্যে 'করিম' ১০ শতাংশ জমির মালিক। তাহলে খতিয়ানে তার অংশ হবে:

  • (১০ ÷ ৫০) × ১.০০০ = ০.২০০

অর্থাৎ, ১.০০০ পয়েন্টের মধ্যে করিমের অংশ ০.২০০। নামজারির আবেদনে এই সংখ্যাটিই লিখতে হবে। দশমিকের পরে সাধারণত তিন ঘর পর্যন্ত মান নেওয়া হয় নির্ভুলতার জন্য।